আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত আলোচনার মাধ্যমে একটি সমাধানে পৌঁছাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে শেখ হাসিনার সঙ্গে কী করা উচিত, সে বিষয়ে ওয়াশিংটন এখনো কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান নেয়নি বলে জানিয়েছে।
বুধবার নিউইয়র্কে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তার অন-ব্যাকগ্রাউন্ড ব্রিফিংয়ে যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থান তুলে ধরা হয়। নিউইয়র্ক ফরেন প্রেস সেন্টারে দক্ষিণ এশিয়ার পরিস্থিতি ও ট্রাম্প প্রশাসনের নীতি নিয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সাংবাদিকরা অংশ নেন।
শেখ হাসিনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাইলে মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেয়নি। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিষয়টি একটি বড় মতবিরোধের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন, দুই দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটি সমাধানে পৌঁছাবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের আন্দোলনের পর শেখ হাসিনা ভারতে অবস্থান করছেন। তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। অন্যদিকে শেখ হাসিনা আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণের কথা জানিয়েছেন এবং নিজের নিরাপত্তা ও বিচারপ্রক্রিয়া চ্যালেঞ্জের সুযোগ চেয়েছেন।
ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের কার্যক্রমের ওপর থাকা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। জবাবে মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, এ সিদ্ধান্ত বাংলাদেশ সরকারকেই নিতে হবে।
বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক প্রসঙ্গে ওই কর্মকর্তা বলেন, ওয়াশিংটন নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চায়। একই সঙ্গে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা জোরদারে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি।
যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়েও ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন ওঠে। মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশকে কোনো একটি দেশ বেছে নেওয়ার প্রয়োজন নেই; বরং যুক্তরাষ্ট্র এসব দেশের জন্য একটি বিকল্প অংশীদার হতে চায়।
Somoyer Prohor সময়ের প্রহর | বাংলাদেশের সর্বশেষ খবর | ব্রেকিং নিউজ | বাংলা নিউজ