ব্রেকিং নিউজ

বাঞ্ছারামপুরে দাদার কাছে ৯ বছরের নাতনীকে ধর্ষণের অভিযোগ, বিচারের দাবি পরিবারের!

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দরিয়াদৌলত গ্রামের উত্তরপাড়ায় ৯ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে এক আত্মীয়ের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ, ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও তারা এতে রাজি হননি।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। পরিবারের দাবি, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে দুর্গাপূজা দেখতে গিয়ে বাড়ির পাশের একটি এলাকায় অভিযুক্ত ব্যক্তির সঙ্গে তার দেখা হয়। এ সময় ১০০ টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে একটি নির্জন ঘরে নিয়ে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার।

পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, ঘটনার বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়ভাবে সালিশের মাধ্যমে মীমাংসার উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০ অক্টোবর সন্ধ্যায় এ বিষয়ে সালিশ হওয়ার কথা থাকলেও অভিযুক্ত ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হননি বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার জানিয়েছে, তারা স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করতে চায় না। বরং ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছে। এ ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলেও পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে আরও জানা যায়, শিশুটির বাবা ও চাচা দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসে রয়েছেন। অন্যদিকে, তার দাদা-দাদি চিকিৎসার প্রয়োজনে গত ১০ থেকে ১৫ দিন ধরে গ্রামের বাইরে অবস্থান করছেন। ওই সময় বাড়িতে শিশুটির মা ও চাচি ছিলেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্যও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

শিশুটির নিরাপত্তা, চিকিৎসা ও মানসিক সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযোগটি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণেরও দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *