নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০১:০৬ পিএম
এক-এগারোর সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ডিজিএফআইয়ের গোপন বন্দিশালায় আটক রাখা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, এ বিষয়ে তদন্তে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।
শনিবার (৮ আগস্ট) ডিজিএফআইয়ের গোপন বন্দিশালা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে চিফ প্রসিকিউটর এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ওই সময় তারেক রহমানকে আয়নাঘর হিসেবে পরিচিত বন্দিশালায় রাখা হয়েছিল বলে তথ্য পাওয়া গেছে।
আমিনুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন সময়ে মানুষকে ধরে এনে এসব গোপন বন্দিশালায় অমানবিকভাবে আটক রাখা হয়েছিল। সেখানে থাকা জেআইসি সেলগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ অনেক তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।
চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি অপরাধ করলে তার বিচার অবশ্যই হতে হবে। তবে বিচারবহির্ভূতভাবে কাউকে আটক রাখা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত ছিলেন, তদন্তে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি জানান, ইতোমধ্যে অনেকের বিষয়ে বিচারিক কার্যক্রম চলছে। ভবিষ্যতে তদন্তের মাধ্যমে আরও কারও সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
এদিকে এক-এগারোর সময়কার গোপন বন্দিশালা ও সেখানে রাজনৈতিক নেতাদের আটকে রাখার অভিযোগ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। চিফ প্রসিকিউটরের সাম্প্রতিক বক্তব্যের পর ওই সময়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়েও বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।
তবে তারেক রহমানকে আটকে রাখার ঘটনাসহ সংশ্লিষ্ট অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় আরও তথ্য সামনে আসার পরই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র স্পষ্ট হবে।
Somoyer Prohor সময়ের প্রহর | বাংলাদেশের সর্বশেষ খবর | ব্রেকিং নিউজ | বাংলা নিউজ