ব্রেকিং নিউজ
মাগুরার শ্রীপুর সরকারি কলেজের সামনে সিরাত প্রতিযোগিতার প্রচারণামূলক পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ও ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

ছাত্রদলের ধাওয়া খেয়ে থানায় আশ্রয় নিলেন শিবির নেতাকর্মীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, মাগুরা
প্রকাশ : ০৯ আগস্ট ২০২৬, ০২:২৯ পিএম

মাগুরার শ্রীপুর সরকারি কলেজের সামনে সিরাত প্রতিযোগিতার প্রচারণামূলক পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা ও ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা শ্রীপুর থানায় গিয়ে আশ্রয় নেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (৮ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে শ্রীপুর সরকারি কলেজের সামনে এ ঘটনা ঘটে। শিবিরের নেতাকর্মীদের অভিযোগ, সিরাত প্রতিযোগিতার প্রচারণার জন্য কলেজের সামনে পোস্টার লাগানোর সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা তাদের বাধা দেন এবং ধাওয়া করেন।

শ্রীপুর উপজেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. রিফাত বলেন, তাদের কর্মীরা কিরাত পাঠ প্রতিযোগিতার পোস্টার লাগাচ্ছিলেন। এ সময় শ্রীপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মেহেদী হাসান অন্তর এসে পোস্টার লাগাতে বাধা দেন। একই সঙ্গে কর্মীদের হুমকি ও গালিগালাজ করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।

রিফাতের অভিযোগ, একপর্যায়ে তাদের ফোন কেড়ে নেওয়া এবং লাগানো পোস্টার তুলে ফেলার ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে শিবিরের নেতাকর্মীরা থানায় গিয়ে আশ্রয় নেন বলে দাবি করেন তিনি।

তবে শিবিরের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্রদল নেতা মেহেদী হাসান অন্তর। তিনি বলেন, তিনি বর্তমানে কোনো পদে নেই। কলেজের মূল গেটে পোস্টার-ব্যানার লাগানো নিয়ে তিনি শুধু সেখানে পোস্টার না লাগানোর জন্য তাদের বলেছিলেন। কলেজের আশপাশের দেয়ালে পোস্টার লাগানোর কথা জানিয়েছিলেন।

মেহেদী হাসান অন্তর আরও দাবি করেন, কাউকে মারধর বা ধাওয়া দেওয়ার কোনো ঘটনা ঘটেনি। শিবিরের পক্ষ থেকে থানায় আশ্রয় নেওয়ার বিষয়টিকেও তিনি ‘ভুয়া’ বলে দাবি করেন।

এ বিষয়ে শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বলেন, পোস্টার লাগানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা ও কথা কাটাকাটি হয়েছিল। পরে স্থানীয় জামায়াত নেতা মিজানসহ কয়েকজন বসে বিষয়টি সমঝোতার মাধ্যমে মীমাংসা করেন।

ওসি জানান, থানার ভেতরে এক জায়গায় উভয় পক্ষের লোকজন একত্রিত হওয়ার পর বাইরে গিয়ে বিষয়টি সমাধান করা হয়।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় কিছু সময় উত্তেজনা তৈরি হলেও পরে স্থানীয়দের উদ্যোগে বিষয়টির মীমাংসা হওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *