নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
প্রকাশ : ১৫ আগস্ট ২০২৬
অর্ধশত বছর পর ১৫ আগস্ট নানা চ্যালেঞ্জ ও বিতর্কের বৃত্তে পড়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার দিনটি দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মসূচির গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে পালিত হয়ে এলেও এবার দলটির পক্ষ থেকে বড় কোনো কর্মসূচি নেই।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের অনেক নেতা আত্মগোপনে রয়েছেন। দলের অনেক নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন, আবার অনেকে দেশ ছেড়েছেন। ফলে এবারের ১৫ আগস্টে দলীয়ভাবে কোনো বড় কর্মসূচি পালন করা সম্ভব হচ্ছে না।
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বঙ্গবন্ধুর বাড়ি ঘিরেও এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন। গত বছরের পর এবারও সেখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের আনুষ্ঠানিক কোনো কর্মসূচি দেখা যাচ্ছে না।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস হিসেবে পালিত হতো। সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনগুলো দিনটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করত।
তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছাড়ার পর রাজনৈতিক বাস্তবতায় বড় পরিবর্তন আসে। অন্তর্বর্তী সরকার ১৫ আগস্টের সরকারি ছুটি বাতিল করে। এরপর থেকেই দিনটি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
এদিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অনুপস্থিতির পাশাপাশি ১৫ আগস্টকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থানেও ভিন্নতা দেখা যাচ্ছে। ফলে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের অর্ধশত বছর পর দিনটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন বাস্তবতা, বিতর্ক ও চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
Somoyer Prohor সময়ের প্রহর | বাংলাদেশের সর্বশেষ খবর | ব্রেকিং নিউজ | বাংলা নিউজ