নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা
প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৬
রাজধানীর একটি মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রকে কেন্দ্র করে তৎকালীন ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগের তথ্য সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে হক গ্রুপের কর্ণধার আদম তমিজী হককে গ্রেপ্তারের পর কারাগারে না পাঠিয়ে একটি নিরাময়কেন্দ্রে আটকে রাখা হয়েছিল। একই সঙ্গে তাকে মানসিক রোগী হিসেবে প্রমাণের চেষ্টাও করা হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৯ ডিসেম্বর ২০২৩ সালে আদম তমিজী হক ফেসবুক লাইভে তৎকালীন সরকারের সমালোচনা করার পর তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। একপর্যায়ে তাকে গ্রেপ্তার করে রাজধানীর একটি মাদকাসক্তি নিরাময়কেন্দ্রে রাখা হয়। সেখানে আটকে রাখার পাশাপাশি তার পরিবারের কাছ থেকে কয়েক দফায় অর্থ আদায়ের অভিযোগও উঠেছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, তমিজীকে সেখানে রাখার বিনিময়ে ওই নিরাময়কেন্দ্র কয়েক লাখ টাকা ‘সার্ভিস চার্জ’ আদায় করেছিল। পরে তাকে মানসিক রোগী প্রমাণ করতে কয়েকজন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞকে সেখানে নেওয়া হয়। তবে চিকিৎসকদের কেউ তাকে মানসিক রোগী হিসেবে সনদ দিতে রাজি হননি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক জানান, তমিজী হককে পরীক্ষা করে তাদের কাছে তাকে মানসিক রোগী মনে হয়নি। চিকিৎসকরা এ বিষয়ে আদালতের আদেশ আনার কথা বললে তৎকালীন ডিবি প্রধান ক্ষুব্ধ হন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, শেষ পর্যন্ত কোনো চিকিৎসা সনদ ছাড়াই তমিজীকে সেখানে কিছুদিন আটকে রাখা হয়। ঘটনা গোপন রাখতে নিরাময়কেন্দ্রের একটি ফ্লোর ফাঁকা করে সেখানে তাকে বিশেষ ব্যবস্থায় রাখা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
এ ছাড়া প্রতিবেদনে রাজধানীর বিভিন্ন নিরাময়কেন্দ্রে অনিয়ম, অবৈধভাবে মানুষ আটকে রাখা এবং চিকিৎসাসংক্রান্ত নানা অভিযোগের কথাও উঠে এসেছে।
Somoyer Prohor সময়ের প্রহর | বাংলাদেশের সর্বশেষ খবর | ব্রেকিং নিউজ | বাংলা নিউজ