ব্রেকিং নিউজ

বিদ্যুৎ সংযোগ-মিটার ছাড়াই এলো ৬৯২ টাকার বিল!

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জামালপুরের মাদারগঞ্জে বিদ্যুৎ সংযোগ ও মিটার স্থাপনের আগেই গ্রাহকের নামে ৬৯২ টাকার বিল তৈরি হয়েছে। নতুন মিটার স্থাপনের আবেদন করলেও মিটার বসানো বা বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হয়নি। এর মধ্যেই আগস্ট মাসের বিল পাওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগী শ্রী নিমাই চন্দ্র সরকার।

ঘটনাটি ঘটেছে মাদারগঞ্জ উপজেলার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেঘরিয়া বাজার এলাকায়।

ভুক্তভোগী নিমাই চন্দ্র সরকার জানান, তার বাসায় আগে থেকেই দুটি আবাসিক ও দুটি বাণিজ্যিক মিটার রয়েছে। এর বাইরে আরও একটি মিটারের জন্য তিনি আবেদন করেন। তবে নতুন মিটার স্থাপন কিংবা সংযোগ দেওয়ার আগেই তার নামে ৬৯২ টাকা পরিশোধের বিল আসে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, নিমাই চন্দ্র সরকারের বাড়িতে চারটি মিটার রয়েছে। নতুন মিটার স্থাপনের জন্য একটি ওয়্যারিং বোর্ডও প্রস্তুত করা হয়েছে। কিন্তু নতুন মিটার স্থাপন না হলেও তার নামে মোট পাঁচটি বিদ্যুৎ বিলের কাগজ এসেছে। এর মধ্যে নতুন মিটারের বিপরীতে আগস্ট মাসের বিল ধরা হয়েছে ৬৯২ টাকা।

মিটার ও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকতেই বিল আসার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যেও বিস্ময় দেখা দিয়েছে। সংযোগই দেওয়া হয়নি, তাহলে বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিল কীভাবে তৈরি হলো—এ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তারা। বিষয়টি তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

তেঘরিয়া অভিযোগ কেন্দ্রের ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান বলেন, নিমাই সরকারের সঙ্গে কথা বলেই বিল করা হয়েছে। তবে মিটার বা সংযোগ না থাকলেও বিল তৈরি করা যায় কি না জানতে চাইলে তিনি বিষয়টিকে ভুল হিসেবে উল্লেখ করেন।

জামালপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (ওএন্ডএম) আবু সালেহ মো. নাঈম বলেন, সফটওয়্যার পরিবর্তনের কারণে এ ধরনের সমস্যা হয়েছে। তবে মিটার ও সংযোগ না থাকা অবস্থায় কীভাবে গ্রাহকের নামে বিল তৈরি হলো, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।

মাদারগঞ্জ জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) সৈয়দা ফারজানা ইয়াসমিনও বিষয়টির স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি। তিনি জানান, মিটার বা সংযোগ ছাড়া কীভাবে বিল এসেছে, তা তার জানা নেই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *